আমিরাতে সাইবার ইন্স্যুরেন্সের প্রবৃদ্ধি ১০%

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে সাইবার ইন্স্যুরেন্স। স্থানীয় বাজারে এই বীমা পণ্য ছাড়ার পর থেকে বছরে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে কোম্পানিগুলো।

আবু দাবি ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আন্ডাররাইটিং অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকাউন্টস ম্যানেজমেন্ট’র প্রধান কর্মকর্তা তারেক জায়তুন’র বরাত দিয়ে আল ইত্তিহাদ এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।

আবু দাবি ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের এই কর্মকর্তা আরো জানান, বীমা বাজারে সাম্প্রতিক সংযোজন হচ্ছে সাইবার ইন্স্যুরেন্স।দেশের বিভিন্ন আর্থিক খাতে সাইবার ইন্স্যুরেন্সের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির কারণে ব্যবসা হিসেবে এটি ক্রমবর্ধমান।

ইলেক্ট্রনিক সেবা প্রদান করায় এর গ্রাহক ও অংশীদার আরও প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষ করে, বাণিজ্য ও পর্যটনসহ তেল, গ্যাস, ব্যাংকিং এবং সেবা খাতের সঙ্গে জড়িত বৃহৎ উদ্যোগগুলো সাইবার ইন্স্যুরেন্স ক্রয় করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি সিম্যানটেক গত এপ্রিলে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধীদের দ্বারা আক্রমণের শিকার হচ্ছে। ‘স্পেয়ার ফিশিং’ এর জন্য গত বছর এই অঞ্চলে এক নম্বর লক্ষ্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এক্ষেত্রে আক্রমণকারীদের লক্ষ্য ছিল নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা কোম্পানি।আর বৈশ্বিকভাবে এ ধরণের আক্রমণের র‌্যাংকিংয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থান ছিল অষ্টম।

অন্যদিকে ক্রিপ্ট র‌্যানসামওয়ার (তথ্য পাচারের জন্য প্রেরিত ই-মেইল) এর দ্বারা প্রভাবিত মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে আরব আমিরাতের অবস্থান চতুর্থ। আর বৈশ্বিকভাবে এ ধরণের আক্রমণের র‌্যাংকিংয়ে দেশটির অবস্থান ৩৪তম।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সবচেয়ে বেশি সাইবার নিরাপত্তা হুমকিতে রয়েছে ম্যালওয়ার এর দ্বারা। যা প্রায়ই ক্ষতিকারক সংযুক্তি অথবা ফাইল ধারণকারি ই-মেইল এর মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, স্পেয়ার ফিশিং হচ্ছে- এমন একটি ই-মেইল যা দেখতে মনে হবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠানো হয়েছে, আসলে তা নয়।এটা সেইসব অপরাধীদের পাঠানো ই-মেইল যারা কম্পিউটার থেকে আপনার ক্রেডিট কার্ড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, পাসওয়ার্ড এবং আর্থিক তথ্য সংগ্রহ করতে চায়।